Showing posts with label স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা. Show all posts

আদার কিছু ভাল ও খারাপ গুণ

আদা আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় একটি খাদ্য উপাদান। বিভিন্ন তরকারীতে আদা কম বেশি ব্যবহার করা হয়। এর যেমন উপকারিতা আছে, তেমনি অনেক অপকারিতাও রয়েছে। আদার অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে।
* আদার ভালো গুণ সম্পর্কে আগে জেনে নেই: 

# আদা গ্যাসের সমস্যা দূর করে
যখনই গ্যাসের সমস্যা হবে তখনই আদা দিয়ে এক কাপ চা খেয়ে নিন। আদা কুচি করে কেটে হালকা লবণ এর সাথে চিবিয়ে খাবেন। গ্যাস এর সমস্যা দূর হয়ে যাবে।
# আদা ব্যাথা দূর করে
বিজ্ঞানীদের ধারণা মতে, মাইগ্রেন এর প্রথম ধাপ থেকেই আদা খাওয়া শুরু করলে এর জীবাণুগুলো সংক্রমণ করা থেকে বিরত থাকে। এছাড়াও যারা সবসময় আদা খাবার অভ্যাস করে তাদের তুলনামূলক কম ব্যাথা থাকে শরীরে।
# আদা ক্যান্সার রোধে সহায়তা করে
বিভিন্ন গবেষণায় পাওয়া গেছে,আদা ক্যান্সার সংক্রমণের রোগ-জীবাণু ধ্বংস করে। মানুষের কোলন ক্যান্সার এর জীবাণু-সমূহ আদা নষ্ট করে দেয়। তাই, আদা অনেক সাহায্যকারী আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য।
# আদা বমি বমি ভাব দূর করে
বমি বমি ভাব হলেই আদা খাবেন। আদা হোক আর আদার চকলেট, সিরাপ, আদার রসই হোক না কেন যেকোনো একটি খেলেই বমি ভাব দূর হয়ে যাবে। ভবিষ্যতে অবশ্যই চেষ্টা করে দেখবেন।
# রক্তচাপ কমে
একটি নতুন গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, আদা রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে ফেলে। যাদের ডাইবেটিক এর সমস্যা আসে তারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে আদা খাওয়া শুরু করতে পারেন। এতে আপনার ইনসুলিন এর ব্যবহার কমে যাবে।
# রক্তজমাট রোধ করে
অস্ট্রেলিয়ান এক গবেষণায় দেখা গেছে, আদা শরীরের রক্তজমাট দূর করতে সাহায্য করে। রক্তের জীবাণু দূর করতে এর জুড়ি নেই।

* আদার খারাপ গুণ:
# গর্ভবতীদের জন্য ভালো নয়
আদা ও গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে গবেষণাকালে মিশ্র ফলাফল পাওয়া গেছে। এক গবেষণা মতে, আদার ফলে গর্ভপাত ও বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। আরেক গবেষণা মতে, আদার ফলে বমি বমি ভাব দূর হয়। তাই আদা খাওয়া ভালো।
# দাঁতের প্রদাহ বৃদ্ধি পায়
আদা একটি প্রাকৃতিক ঔষধ যা আমাদের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি দেয়। আদার জন্য শরীরে গরম বৃদ্ধি পায়। কাশি কমাতে আমরা আদা খেয়ে থাকি তবে, এর ফলে আমাদের দাঁতে আদা ক্ষতি করে। মুখ ও দাঁতে প্রদাহ বৃদ্ধি পায় আদার ফলে।
<! –– আদার উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম,আদার উপকার ও ক্ষতি, আদার উপকারিতা, আদা ও মধু খাওয়ার উপকারিতা,আদার ক্ষতিকর দিক,আদা খেলে কি ক্ষতি হয়,আদা খাওয়ার কুফল ––>

খাওয়ার পর যে কাজগুলো একেবারেই করা উচিত নয়

আমরা যা খাই, তার প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরে। সঠিক নিয়ম মেনে সঠিক খাবার খেলে যেমন স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, তেমনই নিয়ম না মেনে ভুলভাল খাদ্যাভ্যাস স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়।
আসুন জেনে নেয়া যাকা খাওয়ার পর কোন কাজগুলো করা কখনোই উচিত নায়-
১. কথায় বলে ভরা পেটে ফল, খালি পেটে জল। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে এটি একেবারেই উচিত নয়। ভরা পেটে কখনোই ফল খাবেন না। খালি পেটে ফল খেলে তবেই তার খাদ্যগুণ আমাদের শরীরে শোষিত হয়। তাই খাওয়ার বেশ কিছুটা সময় পরে ফল খান। খাবার খেয়েই ফল খেলে হজমের সমস্যাও দেখা দেয়।
২. খাওয়ার পরেই আমাদের অনেকেরই ঘুম পায়। তাই খেয়ে উঠেই বিছানায় ঢুকে পড়তে আমরা বেশ পছন্দ করি। কিন্তু এটা অত্যন্ত খারাপ অভ্যেস। খেয়ে উঠেই শুয়ে পড়লে ওজন তো বাড়বেই হজমের সমস্যাও দেখা দেবে। তাই খেয়ে উঠে অন্তত এক ঘণ্টা পরে বিছানায় যান।

৩. খাবার পরেই অনেকে ধূমপান করেন। কিন্তু জানেন কি ভরা পেটে স্মোক করলে তা শরীরের বেশি ক্ষতি করে? ভরা পেটে ধূমপান করলে ইনটেসটাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৪. পেটভর্তি করে খেয়ে অনেকেই কোমরের বেল্ট একটু হালকা করে নেন। এটিও কিন্তু খারাপ অভ্যেস। প্রথম কথা কখনোই পেট এতটা ভর্তি করে খাওয়া উচিত নয়, যাতে কোমরের বেল্ট হালকা করতে হয়। এই অভ্যেস থাকলে আপনার অতিরিক্ত খাওয়া কেউ ঠেকাতে পারবে না। আর অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়বে, সঙ্গে হজমের সমস্যাও দেখা দেবে।
৫. পানি খাওয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কিন্তু খেয়ে উঠেই পানি পান করবেন না। খাবার খেয়েই পানি খেলে তা হজমে সহায়ক গ্যাসট্রিক রসকে হালকা করে দেয়। ফলে খাবার ঠিকমতো হজম হতে চায় না। এর ফলে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেই রকমই খেয়ে উঠেই চা বা কফি খাওয়া ঠিক নয়।

স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার কারণ

শরীরের পাশাপাশি মস্তিষ্কের পুষ্টির জন্য সুষম খাবার অত্যন্ত জরুরি। মস্তিষ্ক সঠিক পুষ্টি না পেলে অনেক ক্ষেত্রেই স্মৃতিভ্রমসহ আরও নানান সমস্যা দেখা দেয়। তবে খাদ্যাভ্যাস ছাড়াও আরও বেশ কিছু কারণে দুর্বল স্মৃতিশক্তির সমস্যা দেখা দিতে পারে।
কম ঘুমঃ নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘুম না হলে বা ঘুমে বারবার ব্যঘাত ঘটলে মস্তিষ্ক বিশ্রাম পায় না ফলে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দীর্ঘদিন এমন চললে এর ফলাফল হতে পারে দুর্বল স্মৃতিশক্তি। যা থেকে আলৎঝাইমার’স হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
পরিবেশ দূষণঃ ২০১৭ সালের এক গবেষণায় জানা যায়, দীর্ঘদিন দুষিত এলাকায় যারা বসবাস করেন তাদের স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকি থাকে। দূষিত পরিবেশের বাতাসে যে পদার্থগুলো থাকে তা শরীরে প্রবেশ করে প্রদাহ সৃষ্টি করে যা থেকে টক্সিসিট ও আলৎঝাইমার’স রোগের সূত্রপাত হতে পারে।

খাদ্যাভ্যাসঃ একবারে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া এবং অনেক দেরি করে খাবার খাওয়া, দুটি অভ্যাসই মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। টানা ১২ ঘণ্টা না খেয়ে থাকা মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এক্ষেত্রে রাতের খাবার এবং সকালের নাস্তার মধ্যকার সময়ের পার্থক্যও বেশ উল্লেখযোগ্য। তাই সুস্থ মস্তিষ্কের জন্য সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
একাকিত্বঃ যারা একাকিত্ব অনুভব করেন অথবা সমাজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখেন তাদের আলৎঝাইমার’স হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। বয়সের সাথে সাথে এর লক্ষণ প্রকাশ পায়।